Contract

all contract here

Friday, April 25, 2014

জেনে নিন কিভাবে copy paste ছাড়া article লিখবেন

জেনে নিন কিভাবে copy paste ছাড়া article লিখবেন ।
১.at first select the key word   কি বিষয়ে আপনি লিখবেন তা নিরবাচন করুন তারপর এই সাইট এ পুরবেশ করুন  এ do the create an  account  www.ezine article writer.com।
২.search করুন নিরবাচিত  দিয়ে তারপর ভালভাবে পড়ুন আপনি যা চান  সেগুলা ঠিক আছে কিনা যদি থাকে।
৩. এই সাইটে পুরবেশ করুন  http://ezarticlelink.com/articlespinner/free.php    এখানে একটা একটা করে  শব্দ  এডিট   করুন পৃতিটা  শব্দ এডিট করার পর । launch assisted spin editor
৪. লক্ষ করুন ৪৫০ শব্দ অথবা তার বেশি আছে কিনা  ।http://ezarticlelink.com/articlespinner/free.php
৫.এবার আপনা ক্লায়েন্ট  কে সাবমিট করুন 
আশা এভাবে করলে ভাল মানের আরটিকেল লিখতে পারবেন
<a href="https://www.facebook.com/tale.bule?ref=tn_tnmn ">face book</a> 










Wednesday, April 23, 2014

এসইও তে ৬ টি লিংক বিল্ডিং এর ভুল এবং ভুলগুলো যেবাবে এড়াবেন

সবচেয় বেস্ট এসইও টিপ হলে লিংক বিল্ডিং করা এবং এর ভুল এড়ানো। লিংক বিল্ডিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সার্চ ইঞ্জিন রাঙ্কিং এ।বিশেষভাবে অফ পেজ অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে অনেক গুলো লিংক বিল্ডিং করার কৌশল আছে যেইগুলো সাহায্য করবে আমাদের সাইট এর ব্যাক লিঙ্ক পাবার জন্য।
নোট: যদি আপনি চান সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে আপনার সাইট এর জন্য ভালো রেঙ্ক করাতে তাহলে শুধু ব্যাকলিঙ্ক করলে হবে না অবশ্যই গুণগত মান ব্যাকলিঙ্ক করতে হবে।
এসইও এর ব্যাকলিঙ্ক করার সময় অনেক মানুষ অজ্ঞাতসারে কিছু ভুল করে থাকে, যার দ্বারা সার্চ ইঞ্জিন গুলো থেকে রেঙ্ক হারায়। তাই আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে ৭ টি এসইও ভুল নিয়া আলোচনা করব।

একটা খারাপ সাইট এর জন্য ব্যাকলিঙ্ক করা

কখনো ব্যাকলিঙ্ক করবেন না একটি খারাপ সাইট এর জন্য। খারাপ সাইট বলতে স্প্যাম সাইট, ডুপ্লিকেট কনটেন্ট সাইট, auto blogging, illegal সাইট, পর্ন ইত্যাদি সাইট। মনে রাখতে হবে, সার্চ ইঞ্জিন অবশ্যই ভালোবসবে না এই সকল সাইট সেইসাথে আপনি যদি খারাপ সাইট গুলোতে আপনার ভালো সাইট এর জন্য ব্যাকলিঙ্ক করেন তাহলে সার্চ ইঞ্জিন গুলো আপনাকেও প্লেনটি দিবে এবং অবশ্যই রেঙ্ক হারাবেন। তাই অবশ্যই সাইট এ রেঙ্ক করার জন্য এই সকল সাইট এ ব্যাকলিঙ্ক করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

ব্যাকলিঙ্ক কেনা ও বিক্রয়

ব্যাকলিঙ্ক পাবার আশায়  কখনো লিংক কেনার চেষ্টা করবেন না। ব্যাকলিঙ্ক কিনার ফলে মাজে মাজে দেখা যায় সার্চ ইঞ্জিন গুলো তাদের ইনডেক্সিং থেকে সাইট বাতিল করে।  SEs শুধুমাত্র ন্যাচারাল লিংক ভালবাসেন। বিশেষভাবে সার্চ ইঞ্জিন গুগল ক্লিয়ার করে দিসেন যে কিনা এবং বেচা লিংক গুলো বিবেচনা করা হয় স্প্যাম হিসাবে  এবং অবশ্যই এই  ধরনের লিংক থেকে নিজের সাইটকে বিরত রাখতে হবে।
নো ফলো ব্যাকলিঙ্ক সার্চ ইঞ্জিন এ, সাইট রেঙ্ক করার জন্য কার্যকরী না। বিশেষভাবে গুগল এ রেঙ্ক করার ক্ষেত্রে কিন্তু যদি আপনি চান সার্চ ইঞ্জিন বিং ডট কম এ  রেঙ্ক করাতে তাহলে নো ফলো করতে পারেন। গুগল পরিষ্কার ভাবে উল্লেখ করছে গুগল অনেক সময় অবহেলা করে নো ফলো ট্যাগ। আপনি ব্যাক লিঙ্ক বিল্ডিং এর জন্য ডুফলো এর উপর বেশি কাজ করেন। নো ফলো করবেন কিন্তু ডুফলো উপর কাজ করতে হবে নো ফলোর থেকে বেশি। মনে রাখতে হবে শুধুমাত্র ডুফলো করলে স্পামিং হবে এতে করে আপনার সাইট এর রেঙ্ক হারাতে পারেন।

 হাই পেজ রেঙ্ক সাইট হতে ব্যাকলিঙ্ক

হাই পেজ রেঙ্ক সাইট হতে ব্যাকলিঙ্ক পাওয়াটা আমরা অনেকই মাথায় রাখি না। হাই পেজ রানক সাইট হতে ব্যাকলিঙ্ক পাওয়া খুবই কার্যকারী সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে রেঙ্ক করাবার জন্য। কিন্তু মনে রাখতে হবে হাই এবং লো পেজ রেঙ্ক হতে ব্যাকলিঙ্ক রাখতে হবে। যদি আপনি অত্যধিক হাই পেজ রেঙ্ক ওয়ালা সাইট থেকে ব্যাকলিঙ্ক নিলেন আর পেজ রেঙ্ক ০ ওয়ালা থেকে একটাও ব্যাকলিঙ্ক নেই। তাহলে স্বাবাবিকভাবে এই লিংক বিল্ডিং খাটি দেখায় না। একটা ভালো মানের কাজ হলো দুই সাইট থেকে ব্যাকলিঙ্ক নেত্তয়া অর্থাত হাই পেজ রেঙ্ক ওয়ালা সাইট এবং লো পেজ ওয়ালা সাইট।
নোট: ব্যাকলিঙ্ক পেজ রেঙ্ক হইতে ০ এবং ১ মূলত খুবই লো, পেজ রেঙ্ক ২ এবং ৩ কম বেশ গ্রহণযোগ্য, পেজ রেঙ্ক ৪ অথবা এর উপরে জাস্ট ফাইন।

অপ্রাসঙ্গিক সাইট হতে ব্যাকলিঙ্ক লত্তয়া

একটি অপ্রাসঙ্গিক সাইট এর নিচি অর্থাত আপনার সাইট এর বিষয়বস্তু থেকে অন্য বিষয়বস্তু হতে ব্যাকলিঙ্ক লত্তয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। একটা কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক একই বিষয়বস্তু হতে লত্তয়াটা অনেক কার্যকারী হবে গুগল সার্চ ইঞ্জিন রেঙ্ক করাতে।তাই চেষ্টা করুন ব্যাকলিঙ্ক পেতে একই বিষয়বস্তুর সাইট হতে।

আপনার টার্গেট কীওয়ার্ড ছাড়া আংকর টেক্সট এ লিংক

আংকর টেক্সট একটি প্রধান ভূমিকা পালন করে সার্চ গুগল রাঙ্কিং এ। আপনার সাইট এর নাম অথবা আপনার নামের বদলে যদি আপনি আপনার টার্গেট করা কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন আংকর টেক্সট হিসাবে তাহলে এটা খুবই উপকির্ত করবে আপনার সাইট এর সেই কীওয়ার্ড টা রেঙ্ক করাতে।
নোট: “ক্লিক করুন এখানে” বা “চেক করুন এটা” এই সব টাইপ এর আংকর টেক্সট এ কখনো ব্যবহার করবেন না।
যদিও হাই পেজ রেঙ্ক সাইট ওয়ালা থেকে ব্যাকলিঙ্ক পাওয়া সব সময়ের জন্য ভালো কিন্তু যদি আপনি আপনার টার্গেট কীওয়ার্ড বা প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড দিয়া আংকর টেক্সট হিসাবে ব্যাকলিঙ্ক পেতে পারেন তাহলে এটা খুবই কার্যকারী হবে আপনার সাইট এর রেঙ্ক করার জন্য।

কিছু দিনের এর মধ্যে বিপুল পরিমান ব্যাকলিঙ্ক

অনেক সময় দেখা যায় সাইট এর ভিসিটর থেকে ব্যাকলিঙ্ক এর পরিমান বেশি খুবই কম সময়ের মধ্যে, এটা স্বাবাবিক ভাবেই স্পামিং বুঝা যাই। আমরা কখনো চেষ্টা করব না খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাকলিঙ্ক নিতে এবং অল্প ভিসিটর যদিও থাকে। ভিসিটর অনুযায়ী ব্যাকলিঙ্ক নিব। এই ৭ নম্বর পয়েন্টটা সাইট এ করানর জন্য একটা সাইটকে গুগল তাদের ইনডেক্সিং থেকে বাদ দিতে পারে। মনে রাখতে হবে পাঁচ তোলা বিল্ডিং একদিনই উঠানো সম্ভব না । উঠাতে হলে টাইম এর প্রয়োজন।
আজকে এই পর্যন্ত ভালো থাকবেন সবাই। পোস্টি ভালো লাগলে কমেন্ট করতে বুলবেন না।
<p><a title="আমার ব্লগে আপনাকে আমন্ত্রণ" href="http://newsbulletin24.com/" target="_blank">আমার ব্লগে আপনাকে আমন্ত্রণ</a></p>

আপনি ইন্টারনেট ও কম্পিউটার সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ এই সংক্ষিপ্ত শব্দগুলোর পূর্ণরুপ জানেন কি?

আমরা কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় প্রায়ই অনেক কিছুর সংক্ষিপ্ত রূপ দেখতে পাই। কিন্তু এদের পূর্ণরূপ অনেকেই জানিনা। তাই আমি আজ আপনাদের কমন কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দের পূর্ণরূপ দিলাম। অনেকেই হয়তো জানেন এগুলো, কিন্তু যারা জানতেন না একবার পড়ে জেনে নিন !
1. CPU- Central Processesing Unit
2. CSE- Computer Science & Engineering
3. IT- Information Technology
4. OS- Operating System
5. UPS- Uninterruptible Power Supply
6. RAM- Random Access Memory
7. ROM- Read Only Memory
8. IP- Internet Protocol
9. URL- Uniform Resource Locator
10. WWW- World Wide Web
11. DNS- Domain Name System
12. DoS- Denial of Service
13. DDoS- Destributed Denial of Service
14. VoIP- Voice over Internet Protocol
15. VPN- Virtual Private Network
16. LAN- Local Area Network
17. WAN- Wide Area Network
18. WAP- Wireless Access Point
19. WLAN- Wireless Local Area Network
20. WiMAX- Worldwide Interoperability for Microwave Access
21. MAC – Media Access Control
22. HTML- Hypertext Markup Language
23. HTTP- Hypertext Transfer Protocol
24. ICP- Internet Cache Protocol
25. ISP- Internet Service Provider
26. XML- EXtensible Markup Language
27. CSS- Cross-Site Scripting
28. PHP – PHP Hypertext Processor
29. SHA- Secure Hash Algorithm
30. MD5- Message Digest 5
31. SQL- Structured Query Language
32. TCP- Transmission Control Protocol
33. CD- Compact Disc
34. CD-R- CD-Recordable
35. CD-ROM- CD Read-Only Memory
36. CD-RW- CD-Rewritable
37. DVD- Digital Video Disc
38. DVD-R- DVD-Recordable
39. DVD-ROM- DVD-Read Only Memory
40. DVD-RW- DVD-Rewritable
41. DAT- Digital Audio Tape
42. DIVX- Digital Video Express
43. HDMI- High-Definition Multimedia Interface
44. JPEG- Joint Photographic Experts Group
45. GIF- Graphics Interchange Format
46. PNG- Portable Network Graphics
47. VGA – Video Graphics Array
48. SVGA- Super Video Graphics Array
49. QVGA- Quarter Video Graphics Array
50. Open GL – Open Graphics Library
51. AGP- Accelerated Graphics Port
52. PCI- Peripheral Component Interconnect
53. CRT- Cathode Ray Tube
54. LCD- Liquid Crystal Display
55. LED- Light Emitting Diode
56. ATA- Advanced Technology Attachment
57. SATA- Serial ATA
58. HDD- Hard Disk Drive
59. SD- Secure Digital
60. FAT – File Allocation Table
61. NTFS – New Technology File System
62. USB- Universal Serial Bus
63. API- Application Programming Interface
64. UI- User Interface
65. UAC- User Account Control
66. RTC – Real Time Clock
67. UTC- Coordinated Universal Time
68. DPI- Dots Per Inch
69. BIOS- Basic Input Output System
70. DB- Database
71. FAQ- Frequently Asked Questions
72. PDF – Portable Document Format
73. PnP – Plug and Play
74. PDA- Personal Digital Assistant
75. MP3 – Motion Pictures Experts Group Layer – 3
76. MPEG – Motion Pictures Experts Group
77. AMR- Adaptive Multi-Rate
78. MIDI- Musical Instrument Digital Interface
79. ASCII- American Standard Code for Information Interchange
80. PERL- Practical Extraction and reporting language
81. UNIX – Uniplexed Information and Computer System
82. JS- JavaScript
83. JRE- Java Runtime Environment
84. J2EE- Java 2 Enterprise Edition
85. J2ME- Java 2 Micro Edition
86. J2SE- Java 2 Standard Edition
87. LPI- Linux Professional Institute
88. LUG- Linux User Group
89. P2P- Peer-To-Peer
90. KB- Kilo Byte
91. MB- Mega Byte
92. GB- Giga Byte
93. TB- Tera Byte
94. DOS- Disk Operating System
95. MS-DOS- Microsoft Disk Operating System
http://genesisblogs.com/technology/2249 

Tuesday, April 22, 2014


এইচটিএমএল ডিভ টিউটোরিয়াল 

div ট্যাগ (<div></div>) খুব গুরত্বপূর্ন একটি ট্যাগ এইচটিএমএল এর। এইচটিএমএল এর এলিমেন্ট এর ভিতরে রেখে section (খন্ড) তৈরী করা হয়। যতগুলি div ততগুলি খন্ড। একটা <div></div> এলিমেন্ট তার ভিতরে থাকা সব এলিমেন্টের জন্য পাত্র বা container হিসেবে কাজ করে।
লেআউট বানানোর জন্য div এর জুরি নেই। এইচটিএমএল এ লেআউটের জন্য টেবিল ব্যবহার শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে বিভিন্ন কারনে। আর তাই div এখন লেআউট তৈরীর অবিচ্ছেদ্য উপাদান।
<div style="border:1px solid #f00">
02.<h1>HTML div tutorial in Webcoachbd</h1>
03.<p>Basically div layout designed by CSS</p>
04. 
05.</div>
06.<div style="border:1px solid #f00">
07.<h1>HTML div tutorial in Webcoachbd</h1>
08.<p>Basically div layout designed by CSS</p>
09. 
10.

</div>

div div div div

বাড়ির সাথে তুলনা করুর । অথবা বইয়ের পেজ এ সাথে তুলনা করূন 
main div আমরা মোট পেজ টা নেব with and height 
head div  means header section set up any logo or image
banner div  means  advertise or any other 
menu div means this is menu bar 
body div or content div  এখানে html and inline css code   দিয়ে যা চান তা লিখতে হবে।
left div 
right div
foot div


ওয়েব ডিজাইন কি          
ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের জন্য বাহ্যিক অবয়ব তৈরী করা।ওয়েব ডিজাইনারের মুল কাজ একটা সাইটের জন্য টেমপ্লেট বানানো,এখানে কোন এপ্লিকেশন থাকবেনা।

কোন প্রকার এপ্লিকেশন ছাড়া একটা সাইট তৈরী করা এটাই ওয়েব ডিজাইন, এধরনের ডিজাইনকে বলতে পারেন স্টাটিক ডিজাইন।ওয়েব ডিজাইনের জন্য এই ধারনাটি সাধারনত ব্যবহৃত হচ্ছে।ওয়েব ডিজাইন শিখতে যেসব জানতে হবে
এইচটিএমএল
সিএসএস :
ফটোশপ :
যেভাবে ওয়েব ডিজাইন শিখবেন
বিভিন্ন ওয়েব সাইটের টিউটোরিয়াল থেকে ওয়েব ডিজাইন ভালভাবে শিখতে পারবেন।বাংলা ইংরেজি অনেক সাইট আছে এসব শেখার।ওয়েব ডিজাইন শেখা বেশ সহজ, কয়েকমাসেই শেখা সম্ভব।ভালভাবে শিখতে পারলে ওয়েব ডিজাইনের উপর প্রচুর চাকরি এবং ফ্রিল্যান্সিং এ হাজার হাজার কাজ পাওয়া যায়।
আমি দুই টি সাইট http://www.webcoachbd.com এবং www.w3schools.com থেকে  ওয়েব ডিজাইন শিখতেছি আজও কোন কাজ টাকার বিনিময়ে করি নাই
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে ওয়েবসাইটের জন্য এপ্লিকেশন তৈরী করা।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে যেসব জানতে হবে
html
css এবং এরপর
Avi A‡bK wKQz 
আমিhtml  css পারিএবং 

তাহলে শুরু করি <!DOCTYPE html>
<html><head> </head><body>
<h1>My First Heading</h1>
<p>My first paragraph.</p>
</body>
</html>
কোড গুলি নোট পাড এ লিখবেন  save as > all files > write the name > .html দেখবেন একটা browser তারপর তা রান করান দেখেন কি হয়

My First Heading


My first paragraph. এ ভাবে পাবেন
html practice করতে থাকেন তর পর














Sunday, April 20, 2014

Nutrition

" style="text-align: left;" trbidi="on"> Nutrition guide tailored to your needs and dietary requirements and likes and dislikes. doesn't matter if its weight lose or muscle gain your after we can help

৭০ টা প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট এবং সংক্ষিপ্ত আকারে তাদের কাজ জেনে নিন ।

৭০ টা প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট এবং সংক্ষিপ্ত আকারে তাদের কাজ জেনে নিন ।
2 days ago |  টিউন করেছেন : nazmulfeni4 |0   | দেখা হয়েছে  1,000 বার       

সবাই কেমন আছেন?? অনেকদিন পর পোস্ট লিখতে বসলাম । আসলে মন বলে অনেক কিছুই শেয়ার করি কিন্তু ঐরকম সময় হইয়ে উঠে না ।
যাই হোক আজকে বসলাম কিছু শেয়ার করতে । টাইটেল পড়ে অবশ্য কিছু অনুমান করতে পেরেছেন ।আপনি যা অনুমান করেছেন হয়ত তা হুবহু মিলে যেতে পারে অথবা আংশিক মিলে যেতে পারে ।
ইন্টারনেট জগৎ এ বিচরণের সময় আমাদের অনেক ধরনের ওয়েবসাইটের দরকার হয় যা অনেক সময় খুব সহজে খুজে পাই আবার অনেক সময় সাড়াদিন খুজার পরও আমাদের কাক্ষিত ওয়েবসাইটি খুজে পাই না
।তাই আমি আজকে আমার সংগ্রহে থাকা কিছু ওয়েবসাইট শেয়ার করবো এবং এই ওয়েবসাইটে কি কাজ করা যায় তার সংক্ষিপ্ত বর্নণা দিব ।তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক ।
রয়োজনীয় ওয়েবসাইট

রয়োজনীয় ওয়েবসাইট

১)screenr.com – এখানে আপনি আপনার ডেক্সটপ দিয়ে মুভি রেকর্ড করতে পারবেন এবং তা সরাসরী YouTube এ পাবলিশ করে দিতে পারবেন যা একদম উইনিক ভিডিও ধরা হবে :) ।
২)bounceapp.com -এখান থেকে আপনার ওয়েবসাইটের ফুল স্ক্রিনশট নিতে পারবেন ।
৩)Goo.gl – যেকোন বড় লিঙ্ক খুব সহজে কোন রকম রেইস্ট্রেশনের জামেলা ছাড়াই ছোট করতে পারবেন ।
৪)youtube.com/leanback- ফুল স্ক্রিনে মুডে YouTube ভিডিও দেখতে পারেবন ।
৫)translate.google.com- এক ভাষা থেকে অন্যভাষা অনুবাদ করতে ।
৬)untiny.me-শর্ট লিঙ্কগুলিকে এখানে সাবমিট করে অরজিনাল লিঙ্ক দেখতে পারেবন ।
৭)localti.me-আপনার শহরের লোকাল সময় জানতে ভিজিট করতে পারেন ।
৮)copypastecharacter.com-স্পেশাল ক্যারেকটারগুলি কপি পেস্ট করতে পারবেন যা কিবোর্ড থেকে করা যায় না ।
৯)topsy.com- সবচেয়ে ভাল টুইটার সার্চ ইঞ্জিন ।
১০)iconfinder.com-যেকোন ধরনের ,যেকোন সাইজের আইকন পেতে এই ওয়েবসাইটটি দেখতে পারেন ।
১১)office.com- অফিসের সকল প্রকার টেমপ্লেট,আইকন,ফ্রেম ,বেকগ্রাউন্ড, ক্লিপআর্ট ইত্যাদি ডাউনলোড করতে ।
১২)woorank.com -আপনার ওয়েবসাইটের রেঙ্ক+ এসইও এর সন তথ্য জানতে ।
১৩)virustotal.com-আপনার যেকোন ধরনের ভাইরেস এফেক্টেড ফাইলকে স্কেন করতে ।
১৪)wolframalpha.com- সকল প্রকার প্রশ্নের উত্তর পাবেন কোন প্রকার সার্চ ছাড়াই ।
১৫)printwhatyoulike.com-ওয়েবপেজ প্রিন্ট করুন কোন জামেলা ছাড়াই ।
১৬)eggtimer.com- সিমপল অনলাইন টাইমার ।
১৭)coralcdn.org- খুব উপকারী একটা সাইট ,যদি অধিক ভিজিটরের কারনে সাইট ডাউন হয় তাহলে এই ওয়েবসাইট দিয়ে খুব সহজে সাইটে ডুকতে পারবেন ।
১৮)mywot.com – যেকোন ওয়েবসাইটের ট্রাস্ট লেভেল দেখতে পারেবন ।
১৯)viewer.zoho.com- যেকন পিডিএফ ,প্রেজেনটেশণ সরাসরি ব্রাউজারে দেখতে পারবেন ।
২০)tubemogul.com- YouTube সহ একযুগে সব ভিডিও সাইটে ভিডিও আপলোড করতে পারেবন ।
২১)truveo.com -যেকোন ধরনের ওয়েব ভিডিও সার্চ করার জন্য জনপ্রিয় সাইট।
২২)scr.im – কোন প্রকার স্পেমের জামেলা ছাড়াই আপনার ইমেইল এড্রেস অনলাইনে শেয়ার করুন
২৩)spypig.com – আপনার ইমেইলটা রিসিভ করেছে কিনা তা জানতে পারবেন
২৪)sizeasy.com -যেকোন প্রকার প্রডাক্টের জনপ্রিয়টাকে কমপেয়ার করতে পারবেন
২৫)whatfontis.com-খুব তারাতারী আপনার ইমেজে ব্যবহ্রত ফন্টের নাম জানতে পারবেন ।
২৬)fontsquirrel.com- পারসোনাল এবং কমারসিয়ালি ব্যবহার করার জন্য ফন্টের বিশাল কালেকশন ।
২৭)regex.info-আপনার ছবির ভিতরে কিছু লোকানো আছে কিনা তা আনতে পারবেন।
২৮)tineye.com- Google Googles এর মত অনলাইন ভার্সন ।
২৯)iwantmyname.com- সব ধরনের TLDs ডোমেইন সার্চ করতে পারবেন ।
৩০)tabbloid.com -আপনার পছন্দের ব্লগকে পিডিএফ আকারে সেভ করতে পারবেন ।
৩১)join. me- আপনার কম্পিউটারে স্কিনকে অনলাইনে লাইভ সবার সাথে শেয়ার করতে পারেবন ।
৩২)onlineocr.net-ইমেজ এবং পিডিএফ থেকে টেক্স কপি করতে পারবেন ।
৩৩)flightstats.com – সাড়া বিশ্বের বিমানের ফ্লাইট সম্পর্কে সব তথ্য আনতে পারেবন ।
৩৪)wetransfer.com – অনলাইনে সবচেয়ে বড় ফাইল শেয়ার করার জন্য ।
৩৫)pastebin.com- অনলাইনে টেক্স এবং কোড শেয়ার করার জন্য ।
৩৬)polishmywriting.com -আপনার স্পেল এবং গ্রামারটিকেল এরর চেক করুন ।
৩৭)awesomehighlighter.com- ওয়েবপেজের গুরুত্বপূর্ন অংশকে হাইলাইট করুন ।
৩৮)typewith.me – একসাথে একটা ডকুমেন্ট অনেকজন মানুষ করতে পারবেন ।
৩৯)everytimezone.com-বিশ্বের সব দেশের সময় জানুন ।
৪০)warrick.cs.odu.edu-আপনার বুকমার্ক ওয়েব পেজটি ডিলিট হইয়ে গেলে এইটা প্রয়োজন হবে ।
৪১)imo.im-আপনার সব আইডি দিয়ে একসাথে চ্যাট করুন যেমনঃ Skype,Facebook, GoogleTalk,ইত্যাদি ।
৪২)kuler.adobe.com – কালার আইডিয়া পাওয়ার জন্য ব্যবহার করে দেখতে পারেন ।
৪৩)followupthen.com- আপনার ইমেইল দিয়ে রিমাইন্ডার সেট করতে পারবেন ।
৪৪)lmgtfy.com- যখন আপনার বন্ধু খুব অলস থাকে :P :)
৪৫)tempalias.com- temporary ইমেইল জেনারেট করার জন্য ।
৪৬)pdfescape.com-আপনার ব্রাউজার থেকে সরাসরি পিডিএফ এডিট করতে পারবেন ।
৪৭)faxzero.com – ফ্রিতে অনলাইন ফেক্স পাঠান যেকোন জায়গায় /
৪৮)feedmyinbox.com -আপনার ইমেইলে আরএসএস নটিফিকেশন পাওয়ার জন্য ।
৪৯)isendr.com – ফাইল ট্রান্সফার করুন কোন সার্ভারে আপলোড ছাড়াই :P
৫০)tinychat.com – আপনার প্রাইভেট চ্যাট সেট আপ করুন ১ সেকেন্ড ই ।
৫১)flightaware.com – লাইভ ফ্লাইট সম্পর্কে বিস্তারিত ।
৫২)boxoh.com -যেকোন শিপমেন্ট সম্পর্কে জানুন গুগল মেপের মাধ্যমে ।
৫৩)example.com -documentation ব্যবহার করার জন্য example বানাতে পারবেন ।
৫৪)whoishostingthis.com-যেকোনো ওয়েবসাইটের হোস্টিং এর তথ্য ,
৫৫)google.com/history-যেগুলি আপনার মনে নাই সেগুলি গুগল ই মনে রাখেছে যা আপনি ব্রাউজ করলেন ।
৫৬)google.com/dictionary – বুজতেই পারছেন গুগলের ডিশনারী :P
৫৭)sxc.hu- ডাউনলোড করুন ফ্রিতে স্টক করা ইমেজ ।
৫৮)download.com.np-সব রকম softwares ।
৫৯)wobzip.org -আপনার কমপ্রেস ফাইলে আনকমপ্রেস করুন অনলাইনে ।
৬০)wobzip.org -এক ক্লিকে আপনার ভয়েস রেকর্ড করুন।
৬১)scribblemaps.com- কাস্টম গ্যগল ম্যাপ বানান ।
৬২)alertful.com -এক ক্লিকে আপনার যেকোন ইভেন্টের জন্য ইমেইল রিমাইন্ডার সেট করুন ।
৬৩) formspring.me-আপনার পারসোনাল প্রশ্নের উত্তর পাবেন ।
৬৪)mailvu.com – ভিডিও ইমেইল পাঠান
৬৫) ge.tt-যেকোন ফাইল পাঠান এক ক্লিকে ।এবং যাকে পাঠাবেন সেও কোণ রকম ডাউনলোড ছাড়াই দেখে নিতে পারবে ।
৬৫)timerime.com -আপনার অডিও ভিডিও এবং ফাইলকে টাইমলাইন হিসেবে সেট করুন
৬৬)stupeflix.com -আপনার অডিও, ভিডিও দিয়ে মুভি বানান অনলাইনে ।
৬৭)aviary.com/myna -অডিও এডিট করুন অনলাইনে এবং রিমিক্স বানান ।
৬৮)noteflight.com -আপনার মিউজিক বানান অনলাইনে ।
৬৯)homestyler.com -আপনার ডিসাইন কে রিডাসাইন করুন এক ক্লিকে ।
৭০)livestream.com -আপনার যকোন ইভেন্ট কে লাইভ প্রচার করুন অনলাইনে ।
by

Tuesday, April 15, 2014

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতার ৪০ টিপস


সময়ের জনপ্রিয় পেশা ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং। তবে ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতার ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় কাজ করে, বেশ কিছু বিষয় মেনে চলতে হয়। মনে রাখতে হবে ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে সামনে মোকাবেলা করার মতো অনেক চ্যালেঞ্জ আসবে। এসব বিষয় সমাধানের মাধ্যমেই এগিয়ে যেতে হবে।যারা ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতার বিষয়ে চিন্তিত, তাদের কাজে লাগবে এরকম কয়েকটি টিপসঃ

১. নিজের মার্কেটিং করা : নতুন কাজ পাওয়া কিংবা পুরাতন ক্লায়েন্টের কাজ পুনরায় পেতে মার্কেটিং সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। নিজের যোগ্যতাগুলোকে তুলে ধরতে হবে। কখনোই থামা উচিত নয়, এমনকি ব্যস্ত থাকলেও। মনে রাখতে হবে পৃথিবী যোগ্যতাকে সম্মান করে।

২. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকা : প্রত্যাশিত ক্লায়েন্ট খুঁজে পেতে ওডেস্ক কিংবা ফ্রিল্যান্সারের মত মার্কেটপ্লেসগুলোর পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য অনলাইন কমিউনিটিগুলো অন্যতম মাধ্যম। তাই সোশ্যাল মিডিয়াতে নিজেকে আপডেটেড রাখার চেষ্টা করতে হবে।

৩. নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করা : নিজের একটি পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে, যেখানে নিজের এক্সপার্টাইজ এবং কাজের সম্পূর্ণ বিবরণ স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। এতে সুবিধা হলো, ওয়েবসাইটের ছোট একটা লিংক ক্লায়েন্টের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অনেকখানি বাড়িয়ে দেবে।

৪. দক্ষতা প্রতিষ্ঠিত করতে ব্লগিং : আপনি যে বিষয়ে কাজ করছেন সেই বিষয়ে নিজেকে অন্যের কাছে দক্ষ এবং জ্ঞানী হিসেবে তুলে ধরতে ব্লগিং একটি দুর্দান্ত উপায়। তাই এই বিষয়ে নিয়মিত ব্লগিং করতে হবে।

৫. কাজের ভালো দিকগুলো জানা : প্রতিটি মানুষই কাজ এবং দক্ষতার দিক দিয়ে অনন্য। আপনার সেই অনন্যতাকে খুঁজে বের করতে হবে। আপনি কোন কাজটায় পারদর্শী সেটা জানা থাকলে কাজ করা এবং নিজের মার্কেটিং করা, দুটো কাজ করতেই আপনার অনেক সুবিধা হবে।

৬. পোর্টফোলিও আপডেটেড রাখা : নিয়মিত আপনার পোর্টফোলিও পর্যালোচনা এবং আপডেটেড রাখতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, আপনার ভালো কাজগুলো যেন সবার আগে প্রদর্শিত হয়।

৭. কথা বলতে শেখা : সবসময় এটা ভাববেন না যে ক্লাইন্ট এসে আপনাকে নক করবে, সম্ভাব্য ক্লায়েন্টদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করুন। সুযোগ যদি কড়া না নাড়ে তবে আগে দরজা বানান।

৮. সম্ভাব্য ক্লায়েন্টদের ব্যাপারে রিসার্চ করা : যাদের সঙ্গে কাজ করবেন তাদের সম্পর্কে ভালো করে কিছু না জেনেই কোন ধরণের চুক্তি না করাই ভাল। ক্লায়েন্ট এবং কাজ দুটো সম্পর্কেই আগে জেনে নিতে হবে। নইলে পরবর্তীতে বিপদে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

৯. শুনতে শেখা এবং প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা : ক্লায়েন্ট কি চায় শুধুমাত্র সেটা ধারণা করেই কি করতে হবে সেটা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো। ভাল করে শুনতে হবে সে কি চায়, পরিস্কার ধারণা না পেলে প্রশ্ন করতে হবে।

১০. ভদ্র আচরণ করা : রূঢ় পরিবেশে বাস করলেও সেটি অন্যের কাছে প্রকাশ করা কোনভাবেই উচিত নয়। ভদ্র আচরণ আপনাকে লক্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী করে তুলবে। তাই সবার সঙ্গে ভদ্র আচরণ করতে হবে।

১১. আলোচনা করা : ক্লায়েন্টের পক্ষ থেকে যেকোনো প্রস্তাব বা শর্ত আপনাকে মেনে নিতে হবে তেমন কোনো নিয়ম নেই বা করবেন না। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি একটি চুক্তির সব দিক নিয়ে আলোচনা কিংবা দরাদরি করতে পারেন ।

১২. নিজের সুযোগ তৈরি করা : ক্লায়েন্ট কি চায় সেটা সম্পর্কে আপনি পুরো অবগত থাকবেন। কাজ সম্পর্কে যতটা সম্ভব সুনির্দিষ্ট ধারণা নিয়ে নিতে হবে।

১৩. নিরপেক্ষভাবে কাজের দাম মূল্যায়ন করা : অনেকে কাজ পাননা তাই কম খরচে ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করতে চান। কখনোই এটা করবেন না, বরং মানসম্মত কাজ উপস্থাপন করে যথাযথ দাম নির্ধারণ করুন।

১৪. মানা করতে ভয় না পাওয়া : ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে প্রতিটি সুযোগই যে আপনার জন্যে যথাযথ হবে তেমনটি ভাবার কারণে নেই। যদি বুঝতে পারেন কাজটি আপনার জন্য না, তবে কাজটি প্রত্যাখ্যান করতে ভয় পাবেন না। হাতের কাজ ও সময় কতোটা আছে সেটা বিবেচনা করে হ্যাঁ বলুন। মনে রাখবেন, বিনীত হয়ে ‘না’ বলতে পারাও যোগ্যতার একটা অংশ।

১৫. কি কাজ করবেন সেটার লিখিত ব্যাখ্যা চান : কাজ শুরু করার আগে একটি লিখিত চুক্তি করে নিন অথবা কি কি কাজ করবেন সেটার একটা লিখিত নিয়ে নিন।

১৬. বিরক্ত হবেন না : কাজ শুরু করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার কাজের পরিবেশ আপনার কাজের সাথে যাতে সর্বোচ্চ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কারণ কাজের মাঝে মনযোগের বিক্ষেপ ঘটলে কাজটি শেষ করতে বেশি সময় লাগতে পারে কিংবা কাজের মান সম্পর্কে আপনি নিজেই সন্তুষ্ট হতে পারবেন না।

১৭. রুটিন অনুসরণ করা : অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সাররা এটা স্বীকার করেন, তারা যখন কাজের নির্দিষ্ট রুটিন অনুসরণ করে কাজ করেন তখন তাদের কাজের প্রোডাক্টিভিটি অনেকাংশেই বেড়ে যায়। তাই কাজ করার সময় রুটিন অনুসরণ করুন।

১৮. কাজ করার স্থানটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা : নোংরা পরিবেশ আপনার কাজের গতি এবং সাহস অনেকখানি কমিয়ে দেয় যা আপনি হয়তো কখনো বুঝতেও পারবেন না। আপনি যদি অগোছালো প্রকৃতির মানুষ হয়ে থাকুন তবে আজ একদিনের জন্য হলেও কাজের স্থানটি গুছিয়ে তারপর কাজ করুন। বিশ্বাস করুন, পার্থক্যটা আপনি নিজেই টের পাবেন।

১৯. সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা : ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে সফলতা লাভের অন্যতম শর্ত হলো সুস্থ থাকা। অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সাররা অসুস্থতার জন্য কাজ করতে পারেন না। আর এই অসুস্থতার অন্যতম বড় কারণ হলো ভুল খাদ্যাভ্যাস। তাই সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।

২০.ব্যায়াম করা : ব্যায়াম করলে নিজেকে অনেক বেশি ফুরফুরে লাগবে, মনযোগ বাড়বে, আর অনেক সুক্ষ কাজও অনেক দক্ষতার সাথে করতে পারবেন।

২১. মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া : কথাটা হয়তো কান্ডজ্ঞানহীনের মতো মনে হতে পারে। কিন্তু মনে রাখবেন দীর্ঘ সময় ধরে একনাগাড়ে কাজ করা আপনার প্রোডাক্টিভিটিকে অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। তাই মাঝে মাঝে বিরতি নিন, কাজের মাঝে আনন্দ খুঁজে পাবেন।

২২. প্রত্যাশা পূরণ করা : ক্লায়েন্টকে নিরাশ করবেন না, নির্ধারিত সময়ে কাজ জমা দিন এবং যা দিচ্ছেন তা যেন ক্লায়েন্টের শর্ত পূরণ করে সেটার প্রতি সর্বোচ্চ খেয়াল রাখতে হবে।

২৩. ইনভয়েস পাঠানো : কাজ জমা দিয়েছেন, ক্লায়েন্টকে ইনভয়েস পাঠিয়ে দিন। অপেক্ষা করলে সেটার কথা আপনি কিংবা ক্লায়েন্ট যে কেউই ভুলে যেতে পারেন।

২৪. ধন্যবাদ বলা : থ্যাঙ্কস বলতে পারেন এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। কারো কাছে লক্ষণীয় হয়ে উঠার খুব সহজ একটি উপায় হলো আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ বলতে পারা। তাই ক্লায়েন্টকে কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুল করবেন না।

২৫. ফলোআপ করা : অনেক ফ্রিল্যান্সাররা ক্লায়েন্টদের ফলোআপ করতে ভয় পান। কিন্তু মনে রাখবেন, ফলোআপ করা ফ্রিল্যান্সিংয়ের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

২৬. লক্ষ্য নির্ধারণ করা : আপনার কাজ কতোদূর আগাচ্ছে কিংবা ঠিক পথে আগাচ্ছে কিনা, লক্ষ্য নির্ধারণ ব্যতীত সেটা কখনোই পরিমাপ করতে পারবেন না। তাই যৌক্তিক লক্ষ্য নির্ধারণ করুন, যেটা আপনি পূরন করতে পারবেন।

২৭. পরিকল্পনা করা : লক্ষ্য নির্ধারণ করে ফেলেছেন? এবার সে লক্ষ্য অনুযায়ী পরিকল্পনা করুন। প্রয়োজনে করণীয় কাজগুলোকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নিন। সময় পেলেই সেটাতে চোখ বুলিয়ে নিন।

২৮. সহযোগির সাহায্য নেওয়া : আপনি ফ্রিল্যান্সিং করেন, তার মানে এই নয় যে সব কাজ আপনাকে একাই করতে হবে। বিশেষ কোন কাজের জন্য অন্যের সাহায্য নিন।

২৯. শেখার জন্য সময় রাখা : কথায় আছে, জানার কোন শেষ নেই, শেখার কোন বয়স নেই। আপনার দক্ষতা ও জ্ঞান আপটুডেট রাখুন। নিয়মিত নতুন কিছু শেখা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অপশনাল নয়।

৩০. ভালো কিছুর জন্য বিনিয়োগ : টাকা খরচ করার একটি উপযুক্ত খাত হলো নিজের জন্য একটা হাই কোয়ালিটি পিসি কেনা, সফটওয়্যার দরকার হলে সেটা কেনা এবং হাই স্পিড ইন্টারনেটের পেছনে খরচ করা। এগুলো অযথা সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাবে এবং কাজ সহজ করবে।

৩১. সঠিক সফটওয়্যারের ব্যবহার : যদিও বেশিরভাগ কাজই ফ্রিওয়্যার টুল দিয়েই হয়ে যায়, কিন্তু কিছু কিছু কাজ করতে আপনাকে হয়তো কিছু সফটওয়্যার বা টুল কিনতে হতে পারে। সেসময় দেখে শুনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন যাতে কাজটি সঠিকভাবে শেষ করতে পারেন।

৩২. সাপোর্ট গ্রুপ তৈরি করা : সাধারণত ফ্রিল্যান্সাররা একাই কাজ করেন কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাহায্যের দরকার পড়ে। সুতরাং বন্ধুত্ব করা কিংবা বজায় রাখা সেটা সম্পূর্নই আপনার উপর নির্ভর করছে।

৩৩. ক্লায়েন্টের মন্তব্য সংগ্রহ করা : পুরাতন কিংবা নতুন ক্লায়েন্টদের সমর্থন কিংবা টেষ্টিমোনিয়াল আপনার মার্কেটিংকে আরও শক্তিশালী করবে। তাই, আপনার সম্পর্কে ক্লায়েন্টের পজিটিভ মন্তব্যগুলোকে আপনার পোর্টফোলিওতে তুলে ধরতে পারেন।

৩৪. নিজের প্রোডাক্ট তৈরি করা : বাড়তি আয়ের জন্যে নিজের কিছু প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারেন। যেমন টেমপ্লেট, ট্রেইনিং মডিউল, ওয়ার্ডপ্রেস থিম, ইবুক এগুলো তৈরি করেও বিক্রি করতে পারেন।

৩৫. ইতিবাচক হওয়া : মনে রাখতে হবে, একজন ফ্রিল্যান্সারের ভালো মনোভাব তার জন্যে অনেক বড় একটা সম্পদ।

৩৬. নিজের উপর বিশ্বাস রাখা : আপনি যদি বিশ্বাস করেন করণীয় কাজটির জন্যে সঠিক ব্যক্তিটি আপনি নন, ক্লায়েন্ট আপনাকে সেটার জন্য যোগ্য ভাববে সেটা কিভাবে আশা করেন?

৩৭. নতুন কিছু করা : এক্সপেরিমেন্ট করতে ভয় পাবেন না।

৩৮. অনলাইনে নিজের মতামত বিশ্লেষণ করা : আপনি অনলাইনে যা বলেন কিংবা আপনার সম্পর্কে যা বলা হয় সেটা কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ, সঠিকভাবে সেটি মেনে চলুন।

৩৯. ভবিষ্যতের জন্যে প্রস্তুত হোন, দুর্দিনের জন্য সঞ্চয় করুন।

৪০. উপরের বিষয়গুলো নিয়মিত দেখুন ঠিকভাবে চলছে কিনা।


Friday, April 11, 2014

css code নিয়ে আজ আলোচনা

Overview: What We Will Cover Today

We’ll start with what you could call the fundamental properties and capabilities of CSS, ones that we commonly use to build CSS-based websites:
  1. Padding vs. margin
  2. Floats
  3. Center alignment
  4. Ordered vs. unordered lists
  5. Styling headings
  6. Overflow
  7. Position

    Once you are comfortable with the basics, we will kick it up a notch with some neat tricks to build your CSS website from scratch and make some enhancements to it.
  8. Background images
  9. Image enhancement
  10. PSD to XHTML
Most beginners get padding and margins mixed up and use them incorrectly. Practices such as using the height to create padding or margins also lead to bugs and inconsistencies. Understanding padding and margins is fundamental to using CSS.